September 11th, 2007 by Piyal
Want to view or download over 10,000 high resolution classic paintings for free. Visit http://commons.wikimedia.org/wiki/Category:The_Yorck_Project
All 10,000 images in this link are free because all are in Public Domain.
Posted in Art, News | No Comments »
August 4th, 2007 by Piyal
Partha Sarathi Pal has designed a Bangla Unicode font AdorshoLipi. You can download it from here
পার্থসারথি পাল একটি বাংলা ইউনিকোড ফন্ট আদর্শলিপি ডিজাইন করেছেন । আপনি এই ফন্টটি বিনামূল্যে ডাউনলোড ও ব্যবহার করতে পারেন এখানে
Posted in Bangla, Bangla Font | 17 Comments »
June 8th, 2007 by Piyal
একটা ব্যাপার হয়তো খেয়াল করে থাকবেন যে নোটপ্যাড বা ওয়ার্ডে সহজে ইউনিকোড বাংলা লিখতে পারলেও ফটোশপ বা ফ্ল্যাশে ইউনিকোড বাংলা লেখা যায় না । কারণ অ্যাডোবি এখনও অবধি ভারতীয় জটিল লিপিগুলির জন্য ইউনিকোড সাপোর্ট দেয় না । ফলে অ্যাডোবির কোন প্রোডাক্টেই ইউনিকোড বাংলা লেখা যায় না । অ্যাডোবির বর্তমান সিএস থ্রী গ্রুপের সফটওয়্যারগুলিতেও এই সাপোর্ট দেওয়া হয় নি ।
এই সমস্যার একটি সহজ সমাধান আছে । কোন ইউনিকোড বাংলা লিপিকে ফটোশপ বা ফ্ল্যাশে আনতে চাইলে প্রথমে লেখাটিকে নোটপ্যাড বা ওয়ার্ডে টাইপ করুন । তারপর লেখাটিকে পিডিএফ হিসাবে সেভ করুন । পিডিএফ বানানোর জন্য প্রচুর ফ্রী সফটওয়্যার আছে । হাতের কাছে যদি কোন পিডিএফ বানানোর সফটওয়্যার না থাকে তাহলে ইন্টারনেটে গুগুল ডকস্ এ যান (docs.google.com)। তারপর সেখানে বাংলায় লিখে সেটিকে পিডিএফ হিসাবে ডাউনলোড করুন । এবার এই পিডিএফ ফাইলটিকে আপনি সহজেই ফটোশপ বা ফ্ল্যাশে খুলতে পারবেন ।
Posted in Tips & Tricks, Bangla | 2 Comments »
May 19th, 2007 by Piyal
কিছুদিন আগে ভিস্তাআর্ক ব্লগে একজন পাঠক অনুরোধ করেছিলেন অ্যাডোবি প্রিমিয়ার নিয়ে কিছু লিখতে । তাই সাধারন কথায় কিছু লেখার চেষ্টা করছি । এই লেখাটি প্রিমিয়ার শেখার জন্য কোন টিউটোরিয়াল নয় কেবল প্রিমিয়ার সম্পর্কে একটি সাধারন ধারনা দেবার চেষ্টা করছি । যদি এই লেখায় কোন ভুলভ্রান্তি চোখে পড়ে অথবা যদি মনে হয় কোন তথ্য দেওয়া জরুরি অবশ্যই জানাবেন ।
অ্যাডোবি প্রিমিয়ার হল একটি নন-লিনিয়ার ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার ।
সাধারনভাবে লিনিয়ার ভিডিও এডিটিং বলতে বোঝায় ভিডিওটেপকে সরাসরি এডিট করা বিভিন্ন মেশিনের মাধ্যমে যেখানে শুধুমাত্র টেপ থেকে টেপে এডিটিং করা হয় । ভিডিওকে ডিজিটাল ডেটায় পরিবর্তন করা হয় না ।
আর নন-লিনিয়ার ভিডিও এডিটিং বলতে বোঝায় যে এই পদ্ধতিতে ভিডিওকে ডিজিটাল ডেটাতে রূপান্তরিত করে যেকোন অংশ নিয়ে ইচ্ছামত কাজ করা যেতে পারে । এই পদ্ধতিটি মূলত ফিল্ম এডিটিং-এর মতো যেখানে শুট করা ফিল্মের অংশগুলিকে নানাভাবে সাজানো হয় কাঁচি দিয়ে কেটে আর আঠা দিয়ে জুড়ে । কিন্তু ডিজিটাল নন-লিনিয়ার পদ্ধতিতে কাটা জোড়ার ব্যাপারটি পুরোটাই কম্পিউটারে হয় বলে মূল ভিডিও কোন ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় না ।
মূলত ১৯৯০ এর দশকে নন-লিনিয়ার ভিডিও এডিটিং জনপ্রিয় হয় কম্পিউটারের মেমোরি আর ডেটা প্রসেসিং ক্ষমতার উন্নতির পর থেকে । নন-লিনিয়ার ডিজিটাল ভিডিও এডিটিং-এর সব থেকে বড় সুবিধা হল এতে মূল ভিডিও অপরিবর্তিত থাকে যাতে পরবর্তী কালেও সেই ভিডিও নিয়ে আবার কাজ করা যেতে পারে । যা কাঁচি দিয়ে কাটা জোড়া ফিল্ম এডিটিং-এ সম্ভব না ।
কম্পিউটারে বহু সফটওয়্যার আছে যার মাধ্যমে ভিডিওকে কাটাছেঁড়া বা সম্পাদনা করা যেতে পারে । অ্যাডোবি প্রিমিয়ার তার মধ্যে একটি । প্রিমিয়ারের শেষ ভার্সন হল প্রিমিয়ার প্রো টু । প্রিমিয়ারের পরবর্তী ভার্সন প্রিমিয়ার প্রো সিএস থ্রী আগামী জুলাই মাসে বেরোনোর কথা আছে ।
প্রিমিয়ারে বিভিন্ন রকমের ভিডিও, অডিও এবং ইমেজ ফরম্যাট নিয়ে কাজ করা যায় । ভিডিও ফরম্যাটের মধ্যে মূলত এভিআই, কুইক টাইম, এমপিইজি, অডিও ফরম্যাটের মধ্যে ওয়াভ, ডবলু এমএ, এমপিথ্রী, ইমেজ ফরম্যাটের মধ্যে জেপিইজি, বিটম্যাপ, টিফ, টারগা, পিএনজি, ফটোশপ, জিফ, ফিল্মস্ট্রিপ এবং ভেক্টর ফরম্যাটের মধ্যে ইপিএস এবং অ্যাডোবি ইলাস্ট্রেটর ফরম্যাট প্রিমিয়ার সাপোর্ট করে । অর্থাৎ বলা যায় প্রিমিয়ার বর্তমানের বহুল প্রচলিত বেশিরভাগ মিডিয়া ফরম্যাটই সাপোর্ট করে ।
যেকোন ক্যাপচার কার্ডের সাহায্যে ভিডিও ক্যামেরা বা ভিটিআর থেকে ভিডিও ক্যাপচার করা যেতে পারে । ভিটিআর এর পুরো কথা হচ্ছে ভিডিও টেপ রেকর্ডার । এর ভিতরে ম্যাগনেটিক ভিডিও ক্যাসেট ঢুকিয়ে সেখান থেকে কম্পিউটারে ভিডিও ক্যাপচার করা হয় । ভিডিও ক্যাপচার করার সবরকম সুবিধাই প্রিমিয়ারে আছে ।
প্রিমিয়ার মূলত দুটি ব্রডকাস্ট টেলিভিশন সিস্টেম সাপোর্ট করে । এ দুটি হল এনটিএসসি এবং প্যাল । এনটিএসসির পুরো কথা হল – ন্যাশন্যাল টেলিভিশন স্ট্যান্ডার্ডস কমিটি এবং প্যাল এর পুরো কথা হল ফেজ অলটারনেটিং লাইন ।
কোন প্রিমিয়ার প্রজেক্টের শুরুতেই সেট করে নিতে হয় যে এটি কি সিস্টেমে হবে । কোনো প্রিমিয়ার প্রজেক্ট যদি শুধুমাত্র কম্পিউটারে দেখার জন্য তৈরি হয় তাহলে তাকে ভিডিও ফর উইনডোজ সিস্টেমে করতে হবে ।
কোনো প্রজেক্টের শুরুতেই ক্লায়েন্টের কাছ থেকে পরিষ্কার ভাবে জেনে নেওয়া দরকার যে কি সিস্টেমে প্রজেক্টটি করতে হবে । যদি উইনডোজ ভিডিও হিসাবে করতে হয় তাহলে ফ্রেমরেট কত হবে এবং ফ্রেম সাইজ কত হবে সেটা পরিষ্কার ভাবে জেনে নেওয়া দরকার ।
একটি প্রিমিয়ার ফাইলের মধ্যেই অনেকগুলি প্রজেক্টকে একসাথে রাখা যায়। অর্থাৎ একই সোর্স ভিডিওকে আলাদা আলাদা প্রজেক্টে একই সাথে ব্যবহার করা যায় । আবার একটি প্রিমিয়ার প্রজেক্ট ফাইল অপর একটি প্রিমিয়ার প্রজেক্ট ফাইলের মধ্যে ইমপোর্ট করেও কাজ করা যায় ।
প্রিমিয়ার সফটওয়্যারের ইন্টারফেসের মূল অংশগুলি হল :
১) প্রজেক্ট : এই অংশে বিভিন্ন প্রজেক্ট এবং মূল ফাইলগুলিকে সাজিয়ে রাখা হয় ব্যবহারের জন্য । ফাইলগুলিকে বিভিন্ন বিন বা ফোল্ডারের মধ্যে সাজিয়ে রাখা হয় তাদের চরিত্র অনুযায়ী ।
২) মনিটর: এই অংশে দুটি স্ক্রীন থাকে যেখানে সোর্স ফাইল এবং আউটপুট ভিডিও দেখা হয় । সাধারনত বাঁদিকের স্ক্রীনে সোর্স ফাইল এবং ডানদিকের মনিটরে আউটপুট দেখা হয় । সাধারনত প্রফেশনাল এডিটিং-এর ক্ষেত্রে তিনটি কম্পিউটার মনিটর ব্যবহার করা হয় । সেক্ষেত্রে প্রিমিয়ারের ইন্টারফেসটিকে ভাগ করে নেওয়া হয় তিনটি মনিটরে । বাঁ দিকের মনিটরে সোর্স ফাইল দেখা হয় । মাঝের মনিটরে সফটওয়্যারের অন্যান্য টুলস এবং প্যালেটগুলিকে রাখা হয় এবং ডানদিকের মনিটরে আউটপুট দেখা হয় ।
৩) টাইমলাইন: টাইমলাইনে বিভিন্ন অডিও ভিডিও ও ইমেজ ফরম্যাট গুলিকে সাজিয়ে ফাইনাল ভিডিওটি তৈরি করা হয় । এখানে একটি ভিডিওর উপর আরেকটি ভিডিওকে রাখা যেতে পারে বিভিন্ন ট্র্যাকে । টাইমলাইনে ভিডিওর বিভিন্ন অংশ সহজে খুঁজে পাওয়ার জন্য মার্কার দেওয়া যেতে পারে ।
৪)টুলস: টুলস প্যালেটে ভিডিও কাটাছেঁড়ার জন্য বিভিন্ন টুল দেওয়া আছে । এগুলিকে টাইমলাইনে ব্যবহার করে ভিডিও এডিট করা হয় ।

প্রিমিয়ার দিয়ে ভিডিও এবং অডিওর উপর নানা রকমের এফেক্ট ও ট্রানজিশন দেওয়া যায় । এবং এই এফেক্ট এবং ট্রানজিশন রিয়েল টাইমে দেখা ও শোনা যায় । অর্থাৎ ভিডিও এক্সপোর্ট না করেই এগুলি দেখা ও শোনা যাবে । ফটোশপের বেশিরভাগ ফিল্টারই এখানে এফেক্ট হিসাবে দেওয়া আছে । অর্থাৎ ফটোশপে বিভিন্ন ফিল্টার ব্যবহারের অভিজ্ঞতা যদি থাকে তবে প্রিমিয়ারেও এই এফেক্টগুলি সহজে ব্যবহার করা যাবে ।
প্রিমিয়ারে টাইটেলিং বানানোর জন্যও ভাল ব্যবস্থা রয়েছে । পাশাপাশি বা উপর নিচে টাইটেল সহজেই প্রিমিয়ারে বানানো যায় এবং টাইটেলের উপর ছোটখাটো এফেক্ট যেমন ড্রপ শ্যাডো দেওয়া যায় ।
প্রিমিয়ার থেকে ফাইনাল প্রজেক্ট ফাইল বিভিন্ন ফরম্যাটে এক্সপোর্ট করা যায় । এভিআই, কুইক টাইম বা টারগা ফরম্যাটে অথবা প্রিমিয়ারের বিল্ট ইন এমপিইজি এনকোডারের সাহায্যে ভিসিডি বা ডিভিডি কোয়ালিটির এমপিইজি ১ বা এমপিইজি ২ ফরম্যাটেও ভিডিও এক্সপোর্ট করা যেতে পারে ।
প্রিমিয়ার সফটওয়্যারটি ব্যবহার করার সবথেকে সুবিধা হল অ্যাডোবির অন্যান্য সফটওয়্যার যেমন ফটোশপ এবং আফটার এফেক্টের সাথে সহজেই একসাথে কাজ করা যায় ।
অ্যাডোবি প্রিমিয়ার সারা পৃথিবীতে বহুল প্রচলিত হলেও এটির প্রতিদ্বন্দ্বীর সংখ্যাও কিন্তু কম নয় । তার মধ্যে প্রধান হল অ্যাপলের ফাইনাল কাট প্রো । তবে ফাইনাল কাট প্রো শুধুমাত্র ম্যাকিনটোশ কম্পিউটারেই কাজ করে । প্রিমিয়ারের বর্তমান ভার্সন প্রিমিয়ার প্রো টুর কোনো ম্যাকিনটোশ ভার্সন নেই তবে আগামী ভার্সন প্রিমিয়ার প্রো সিএস থ্রীর ম্যাকিনটোশ ভার্সন বেরোবে ।
এছাড়া অন্যান্য ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যারের মধ্যে আছে অ্যাভিড গ্রুপের বেশ কিছু সফটওয়্যার যেমন অ্যাভিড এক্সপ্রেস প্রো, অ্যাভিড এক্সপ্রেস ডিভি প্রভৃতি । এছাড়া পিনাকল, সোনি ভেগাস প্রভৃতি সফটওয়্যারও বেশ জনপ্রিয় ।
অ্যাডোবি প্রিমিয়ারের একটি কম দামের ছোট সংস্করনও আছে । সেটি হল অ্যাডোবি প্রিমিয়ার এলিমেন্টস ।
সাধারনভাবে অ্যাডোবি প্রিমিয়ার সফটওয়্যারটি শেখা খুব একটা শক্ত নয় । গ্রাফিক্সের সাধারন জ্ঞান থাকলেই সহজেই এটা শিখে নেওয়া যায় । তবে আগে ফটোশপ শেখাটা বাঞ্ছনীয় । ফটোশপের জ্ঞান থাকলে প্রিমিয়ার শেখাটা অপেক্ষাকৃত সহজ হয়ে যায় । এছাড়া ভিডিও সম্পর্কে কিছু থিয়োরি জ্ঞানও আবশ্যিক ।
প্রিমিয়ার যেকোন সাধারন মানের উইনডোজ কম্পিউটারে ব্যবহার করা যায় । তবে প্রফেশনাল উঁচুদরের কাজে ভাল গ্রাফিক্স কার্ড, প্রচুর ram কমপক্ষে একজিবি থেকে দুই জিবি দরকার হয় । এছাড়া ক্যাপচার করার পরে আনকমপ্রেসড ভিডিও রাখার জন্য প্রচুর পরিমানে হার্ড ডিস্ক মেমোরির দরকার হয় ।
বেশিরভাগ ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যারের কর্মপ্রণালী প্রায় একই রকমের । তাই প্রিমিয়ার যদি ভাল করে শেখা থাকে তবে অন্য সফটওয়্যার যেমন ফাইনাল কাট প্রো সহজেই রপ্ত করা যায় ।
Posted in software, tutorial, Bangla, Adobe Premiere | 2 Comments »
May 5th, 2007 by Piyal
এই ব্লগে ইংরাজীর পাশাপাশি বাংলাতেও মাল্টিমিডিয়া এবং কম্পিউটার সংক্রান্ত বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করার ইচ্ছা আছে । আশা করি এই ব্লগে নিয়মিত বাংলাতে লিখতে পারব ।
বাংলা অথবা বাংলা ইংরাজী দ্বিভাষিক ভাবে কিছু কম্পিউটার সংক্রান্ত ব্লগ আমার নজরে এসেছে । কিন্তু মাল্টিমিডিয়ার উপর সেরকম কোন ভাল লেখা নজরে আসেনি । আমি গত প্রায় তিনবছর ধরে কলকাতায় একজন গ্রাফিক ডিজাইনার হিসাবে কাজ করছি । কাজ করতে করতে কিছু শিখেছি এবং অল্প কিছু অভিজ্ঞতাও হয়েছে । আমার ইচ্ছা আমার সেই অভিজ্ঞতার কিছু অংশ আপনাদের সাথে শেয়ার করব ।
তবে অবশ্যই এই ব্লগে ইংরাজী লেখাও থাকবে ।
তবে বাংলায় লেখার জন্য অবশ্যি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করতে হবে এম এম রিফাত উন নবীর কাছে । কারন তাঁর দেওয়া ওয়ার্ডপ্রেসের প্লাগ ইন বাংলাফিক্সার ব্যবহার করার পরেই ফায়ারফক্সে ঠিকমত বাংলা দেখা যাচ্ছে । এর আগে বাংলা ভাঙা ভাঙা আসছিল ।
Posted in Bangla | 2 Comments »
April 29th, 2007 by Piyal
One of the most unused features in Photoshop is Layer Comps. But this is a very handy and easy tool for making multiple designs in one PSD file.
Actually Layer Comps are like snapshot of the Layer palette. It can record visibility, position, layer style and stacking order of the layers. If you want to show your client different layout of a design this is the best option for you.
Here is a small tutorial for using Layer Comps :Create a small layout of a page with one header and one sidebar.
Now open window > Layer Comps palette.
Click on Create New Layer Comp icon in the bottom of Layer Comps palette. It will open a box with 3 options in it.
Name this as First and click on the OK button.
You have created your first Layer comp.
Now change your layout.
Here I have positioned my sidebar to right side. Then click on Create New Layer Comp icon in the Layer Comps palette and name your new Layer Comp as Second. Now again change your layout.
Here I have done two changes. I have added a new sidebar in the left side and added drop shadow on header. Create a new layer comp again and name it Third.

So you have created 3 different layouts for a page and also created 3 layer comps for them. Now you can switch your different layout by clicking on the layer comp icon in the left of each layer comp. You can not switch by selecting each layer comp only. You have to click on the layer comp icon or you can click on apply next and previous selected layer comp button in the bottom of Layer Comps palette. If you change anything in the layout you can update your layer comps by clicking on the update layer comp button in the Layer Comps palette. So there is no need to create separate PSD files for each composition. But at last you may want to save your each composition as a separate PSD file. And this task is very easy also. Just select Files > Scripts > Layer Comps to Files and from this dialog box you can save 3 PSD files for each composition.
Posted in Photoshop, tutorial | 1 Comment »
April 24th, 2007 by Piyal
If you want to find photos by their color this site is for you. Just select a color and some photos will open based on that color. Amazing site.
Posted in News, Amazing Things | No Comments »
April 12th, 2007 by Piyal
When posting on message boards or blogs, often you want to show or link to an image on another website. Directly showing or linking to that image is called hot-linking. It’s generally bad because it leeches bandwidth from the host site, and as a result many webmasters have their servers set up to prohibit hot-linking.
ImgRed.com lets you simply enter the original URL in your post as you normally would, but with http://imgred.com/ written before the URL. When this is viewed, the image will be copied once to imgred.com, and from then on the image will always be served from imgred.com instead of the host site. Additionally, a thumbnail is automatically generated, which can be accessed by adding http://imgred.com/tn/ before the original URL.
Posted in News | No Comments »
April 3rd, 2007 by Piyal
New version of Avro Keyboard (the beautiful software for writing Bangla) is out. Avro is free and Unicode compliant.
You can download it from omicronlab.com.
Benefit List
English and Bangla typing in the same font: Open type fonts (OTF) allow you to type Bangla and English in the same font. You only have to change the keyboard mode.
Bangla searching/sorting: UNICODE standard Bangla typing allows you to search/sort Bangla texts in accurate way without any hassle. Extremely useful when you are working in spreadsheet or database application.
Faster Bangla typing: Like older methods of Bangla typing, you don’t have to change the fonts every time you change keyboard between Bangla and English. Again, for using some matra/kar/short form of Bangla vowels like “o-kar”, “ou-kar”, you can use only one key to type them. These features have made Avro Keyboard as a perfect choice for professional typists for Bangla typing.
Phonetic Bangla typing: Bangla typing gets its most modern form in Avro keyboard. Instead of using symbolic typing like old mechanical type writers, you can use easy phonetic typing method. Bangla typing is no longer a nightmare!!
Bangla email: Outlook Express and other email clients those support UNICODE, let you mail in Bangla using Avro keyboard. screenshot
Bangla chat/ Bangla instant messaging: Some instant messengers like MSN Messenger allow you to chat in Bangla. With Avro keyboard, you can even type Bangla and English in a single sentence in MSN Messenger. There is even no need to use any extra plug-in! screenshot
Bangla database: Any UNICODE supported database systems like MS Access 2000 or later, MS SQL Server 2000 or later, MySQL will let you create full functional and 100% searching and sorting enabled Bangla database with Avro Keyboard.
Bangla font compatibility: Avro Keyboard is compatible with any UNICODE supported Bangla font. Even if you cannot afford to buy some commercial/shareware UNICODE compliant Bangla typing software, you can install the fonts of that software and use them with Avro Keyboard for Bangla typing.
Spell check never mess things up!: As Avro Keyboard supports Input Language/Input Locale changing for Bangla (India), Bangla (Bangladesh) and Assamese, the editors (Like MS Word) you use to type Bangla can detect which is Bangla text and which is not. Now MS Word never try to check spell of your Bangla text using the default English dictionary!
Auto correction in MS Word: You can safely turn on the auto correction feature in MS Word when typing Bangla with Avro keyboard. Your texts will never be changed to any alien characters. Now MS Word knows that you are typing Bangla!
Posted in News | No Comments »